About BWPEA


নামকরণ ও অবস্থান  ঃ

১.১  P.O.59 of 1972 এর প্রজ্ঞাপনে গঠিত বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং পরবর্তীতে ঐ সংস্থাদ্বয় হতে প্রতিষ্ঠিত অন্য সকল সংস্থা/প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রকৌশলীদের সমন্বয় গঠিত এই সংগঠনের নাম হবে  ঃ
১.১.১ বাংলায় “বাংলাদেশ পানি ও বিদ্যুৎ প্রকৌশলী সমিতি” সংক্ষেপে  ঃ “বাপাবিপ্রস”
১.১.২ ইংরেজীতে ” BANGLADESH WATER AND POWER ENGINEERS ASSOCIATION” সংক্ষেপ “BWPEA”

১.২    নিম্ন বর্ণিত বিভিন্ন উইংয়ের প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে গঠিত এই গঠণতন্ত্রে শুধু “সমিতি” নামেই অভিহিত হবেঃ
১.২.১    পানি উইং বলতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট, পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা, হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ড, যৌথ নদী কমিশন এবং ভবিষ্যতে সৃষ্ট অনুরূপ সংস্থা এর প্রকৌশলীদের একত্রিত ভাবে বুঝাবে।
১.২.২    বিদ্যুৎ উইং বলতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানী (ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিঃ, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী লিঃ, পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিতরণ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিসট্রিবিউশন কোম্পানী, নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী লিঃ ও ভবিষ্যতে সৃষ্ট অনুরূপ কোম্পানী);  বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানী (আশুগঞ্জ পাওয়ার ষ্টেশন কোম্পানী লিঃ, ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানী অব বাংলাদেশ, নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিঃ ও ভবিষ্যতে সৃষ্ট অনুরূপ কোম্পানী); বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানী (পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ ও ভবিষ্যতে সৃষ্ট অনুরূপ কোম্পানী) ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ, ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানী এবং ভবিষ্যত সৃষ্ট অনুরূপ কোম্পানী এর প্রকৌশলীদের একত্রিতভাবে বুঝাবে।

১.৩    এই গঠণতন্ত্রে প্রতিষ্ঠান বলতে  ঃ
১.৩.১    বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট (নগই), পানি সম্পাদ পরিকল্পনা সংস্থা (ওয়াপদা), হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ড (হাজউবো), যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি), এবং ভবিষ্যতে সৃষ্ট অনুরূপ সংস্থা এর প্রকৌশলীদের কে একত্রিতভাবে বুঝাবে।
১.৩.২    বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিঃ, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী লিঃ, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিসট্রিবিউশন কোম্পানী, নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ পাওয়ার ষ্টেশন কোম্পানী লিঃ, ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানী অব বাংলাদেশ, নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিঃ এবং পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)  পশ্চিমাঞ্চল বিতরণ কোম্পানী (ওজোপাডিকো), ভবিষ্যতে সৃষ্ট অনুরূপ কোম্পানী, আশুগঞ্জ পাওয়ার ষ্টেশন কোং কোম্পানী লিঃ (এপিএসসিএল), ও ভবিষ্যতে সৃষ্ট অনুরূপ কোম্পানীকে এবং পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) একত্রিতভাবে বুঝাবে।

১.৩.৩ ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ  (ডেসা) ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানী  (ডেসকো) এবং ভবিষ্যতে সৃষ্ট অনুরূপ কোম্পানীকে একত্রিতভাবে বুঝাবে।

১.৪    সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঢাকায় এবং ইউনিট/শাখা কার্যালয়গুলো বাংলাদেশ বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠত থাকবে। বাংলাদেশের সীমানা সমিতির কার্যক্ষেত্রের সীমানা হিসাবে বিবেচিত হবে।


উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম

২.১ সমিতির উদ্দেশ্য নিম্নরুপ  ঃ
২.১.১ বাংলাদেশ সেচ, পানি উন্নয়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিকল্পনা ও নদী গবেষণাসহ সার্বিক পানি সম্পদ প্রকৌশল কাজ, মরুবিস্তার রোড, সামুদ্রিক জলোচ্ছাস, প্রতিরক্ষা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ/সরবরাহ ব্যবস্থানপ প্রভৃতির উন্নয়ন, পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও সংরক্ষণ সহ দেশ গঠণমূলক কাজে পানি ও বিদ্যুৎ উইং এর প্রকৌশলীদের সংঘবদ্ধ করা।
২.১.২ প্রকৌশলীদের পেশাগত মান উন্নয়ন করা।
২.১.৩ প্রকৌশলীদের পেশাগত অধিকার সমুহ সংরক্ষণ এবং সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মানের উন্নয়নে সচেষ্ট হওয়া।
২.১.৪ দেশের উন্নয়ন কাজে নতুন চিন্তাধারা সংযোজন করা এবং সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ সাধন করা।
২.১.৫ সকল কর্মরত প্রকৌশলীদের মধ্যে সুস্পর্ক স্থাপন করা।
২.১.৬ বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক কাজে অংশ গ্রহণ করা।

২.২    উপরে বর্ণিত উদ্দেশ্য সমূহ বাস্তবায়নের জন্য নিম্ন লিখিত এক, একাধিক বা সবগুলো পদক্ষেপের ভিত্তিতে সমিতি কাজ করবে।
২.২.১    সমিতির সদস্যগণের একক বা যৌথভাবে ন্যয়সংগত দাবী-দাওয়া নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা, সুপারিশ দেয়া এবং প্রয়োজন মত আন্দোলন গড়ে তেলা।
২.২.২    সমস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন বিষযে অন্যান্য প্রকৌশলী সংস্থার সমিতি বা যে কোন সমিতির সাথে যৌথভাবে কাজ করা।
২.২.৩    সমিতির উদ্দেশ্য সমূহ বাস্তবায়নকল্পে প্রয়োজনীয় সময়োপযোগী কর্মসূচী গ্রহণ করা।
২.২.৪    সাময়িক পত্রিকা বা বুলেটিন প্রকাশ করা।
২.২.৫    সমিতির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সদস্যদের কাছ থেকে চাঁদা গ্রহণ করা।